Monday 23 March


×

Breaking



সর্বশেষ





পশ্চিমবঙ্গ

পুজোর আগে ‘দুয়ারে উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মানুষ, আয়োজনে ডায়মন্ড হারবার লোকসভার সাংসদ অভিষেক

*পুজোর আগে ‘দুয়ারে উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মানুষ, আয়োজনে ডায়মন্ড হারবার লোকসভার সাংসদ অভিষেক। ডায়মন্ড হারবার বিধানসভাতে ৬০ হাজার বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপহার পৌঁছে দেওয়া শুরু করলেন দায়িত্বে থাকা তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা* *বাইজিদ মন্ডল ডায়মন্ড হারবার:-* উৎসবের মরশুমে “কল্পতরু” তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তার লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারের গরিব অসহায় দুঃস্থ মানুষদের জন্য পুজোর উপহার পাঠালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবার লোকসভার অন্তর্গত সাত টি বিধানসভা এলাকায় তার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গরিব মানুষের হাতে পুজোর উপহার স্বরূপ নতুন জামা কাপড় তুলে দেন স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা। জানা গিয়েছে ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় প্রায় দুই লক্ষের বেশি মানুষের কাছে প্রিয় সাংসদের এই শারদীয়া উপহার পৌছে গিয়েছে। এদিন নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ডায়মন্ড হারবার এলাকার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে এই উপহার। সারা বিধান সভার পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার পৌরসভায় এদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে দলের নেতা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের হাতে দুর্গা পুজোর উপহার স্বরূপ নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। এদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার বিধায়ক পান্নালাল হালদার ও ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার তৃণমূলের দলীয় পর্যবেক্ষক সামিম আহমেদ, এছাড়াও সঙ্গে ছিলেন ডায়মন্ড হারবার টাউন তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৌমেন তরফদার, ডায়মন্ড হারবার দুই নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জি,টাউন যুব সভাপতি পুষ্পেন্দু মন্ডল,পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রণব দাস, ভাইস চেয়ারম্যান রাজশ্রী দাস,ডায়মন্ড হারবার এক নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি মিজানুর রহমান সহ পৌরসভার সকল কাউন্সিলর ও অন্যান্যরা।পুজোর মুখেই এই উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মানুষ।

অখিলভারত হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের মেলবন্ধনে বিশ্ব দরবারে এবার বাংলার ঢাক শিল্প

অখিলভারত হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের মেলবন্ধনে বিশ্ব দরবারে এবার বাংলার ঢাক শিল্প ভারত বর্ষের অন্যতম প্রাচীন প্রতিষ্ঠান অখিলভারত হিন্দুমহাসভা এবং বাংলার সৌহার্দ্যের যৌথ উদ্যোগে বাংলার ঢাক শিল্প এবার ইউনেস্কো ও বিশ্ব দরবারে স্থান পেতে চলেছে । হিন্দুমহাসভার রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর উপস্থিতিতে কলকাতার বিখ্যাত শোভাবাজার রাজবাড়িতে হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের সদস্যরা উপস্থিত থেকে আজ বাংলার ঢাক শিল্পকে বিশ্ব প্রাঙ্গণে পৌঁছে দেওয়ার বার্তা দিলেন । শুধু তাই নয় বাংলার মহিলা ও পুরুষ ঢাকি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দৈনন্দিন জীবনের দুঃখ যন্ত্রণার কথা এবং সেখান থেকে তাদের উত্তরণের উপায় অন্বেষণের প্রস্তাব নিয়ে সংগঠন দুটির যৌথ কমিটির সদস্যরা গণডেপুটেশন দিতে চলেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যপাল সি.ভি.আনন্দ বোস এবং সর্বোপরি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে । হিন্দুমহাসভার রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামী বলেন বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজার সাথে ঢাক বাদ্য একেবারে সম্পৃক্ত । ঢাক বাদ্যের উপস্থিতি ছাড়া বাংলার ঘরের মেয়ে উমার আরাধনা অসম্পূর্ণ । শুধু তাই নয় রামায়ণে ভগবান শ্রী রামচন্দ্র রাবণ বধের আগে যখন দেবী দুর্গার আরাধনা করছেন বা রক্ষসরা রাবণের ভাই কুম্ভকর্ণের ঘুম ভাঙ্গানোর জন্য প্রয়াস করছে তখনও ঢাক বাদ্যের উল্লেখ রয়েছে । পরবর্তী কালে রণবাদ্য হিসেবে এবং সরকারি নির্দেশিকা প্রচারের সময় ঢাকের উল্লেখ পাওয়া যায় । এহেন বিখ্যাত বাদ্যযন্ত্রটি আজও তার কুলীন আসন পায়নি এবং বাংলার লোকসংস্কৃতির অংশ বা লোকবাদ্য হিসেবেই থেকে গিয়েছে । আমরা চাই ঢাক বাদ্য এবং ঢাকি বন্ধুদের প্রকৃত সম্মান প্রদান করে তাদের আর্থসামাজিক জীবনের সার্বিক উন্নতি সাধন । ঢাকি সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিয়ে গঠিত সংগঠন বাংলার সৌহার্দ্যের সম্পাদক সঞ্জীব সরকার বলেন আমাদের গরীব ঢাকি মায়েরা এবং ভায়েরা সারা বছর অপেক্ষা করে থাকে এই পূজার সময়ের জন্য । তবুও অনেকসময় বিভিন্ন লোভী ব্যক্তি বা সংস্থার দ্বারা আমরা ঢাকিরা প্রতারিত হই । পূজার জৌলুসের পাশে ঢাকিদের জীবন ওই প্রদীপের নিচে থাকা অন্ধকারের মতোই কারণ আমরা আজও যথার্থ সম্মান ও রুজিরুটির অধিকার থেকে বঞ্চিত । প্রশাসনিক আধিকারিক আশুতোষ মজুমদার বলেন আমি ছোট বেলায় মা বাবাকে হারিয়েছি, কিন্তু হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের প্রচেষ্টায় আজ ঢাকি মা ও বাবাদের জন্য যতটুকু করতে পারছি সেটা ঈশ্বরের আশীর্বাদ না থাকলে কোনভাবেই সম্ভব নয় । সমাজসেবী সমীরণ চৌধুরী বলেন শিল্প ও সৃষ্টির মেলবন্ধনে সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে অবশ্যই ঢাকি ভাইদের পাশে অর্থনৈতিক ভাবে দাঁড়ানো প্রয়োজন । হিন্দুমহাসভার অফিস সেক্রেটারি অনামিকা মন্ডল বলেন রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর নেতৃত্বে ও বাংলার সৌহার্দ্যের সম্পাদক সঞ্জীব সরকারের ঐকান্তিক প্রয়াসে আগামী দিনে আমরা রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকারের প্রশাসনিক প্রধান ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর কাছে বাংলার ঐতিহ্য ঢাক শিল্পকে প্রকৃত সহযোগিতা ও সম্মান প্রদানের প্রয়াসে দরবার করতে চলেছি । আজ অনুষ্ঠানে পণ্ডিত জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষের সুযোগ্য পুত্র বিশিষ্ট তবলা বাদক পণ্ডিত মল্লার ঘোষ উপস্থিত থেকে বাংলার ঢাকিদের আরো ভালো ভাবে প্রশিক্ষণ প্রদানের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন । শোভাবাজার রাজবাড়ির পক্ষ থেকে এবারের পূজোর দায়িত্বে থাকা দেবরাজ মিত্র ও ডাক্তার পার্থসারথি মুখার্জী আজ সমগ্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বাংলার ঢাক শিল্পের উন্নতির জন্য অখিলভারত হিন্দুমহাসভা ও বাংলার সৌহার্দ্যের নেওয়া এই ঐতিহাসিক যৌথ প্রয়াসকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানালেন ।

ইংরেজবাজার থানা ও মালদা জেলা পুলিশের সৌজন্যে দুর্গা পূজার সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো মালদা টাউন হলে।

মালদা: ইংরেজবাজার থানা ও মালদা জেলা পুলিশের সৌজন্যে দুর্গা পূজার সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো মালদা টাউন হলে। সরকারি অনুদানের দুর্গাপূজা হবে প্রায় ২০০টি। ইংরেজবাজার শহরের ১৯০ টি ক্লাব কে সরকারি আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয় এদিনের অনুষ্ঠান থেকে। এবছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন আবেদনকারী পূজা উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য দশ হাজার টাকা দেওয়ার। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ক্লাব কর্তাদের হাতে সরকারি অনুদান চেক তুলে দেওয়া হয়। সরকারি অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সদর মহকুমা শাসক পঙ্কজ তামাং, ডিএসপি ডিএনটি লিবাং তামাং, ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান সুমালা আগরওয়ালা, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস, ইংরেজবাজার থানার আইসি বাপন দাস, শুভদীপ সান্যাল সহ অন্যান্য কাউন্সিলর ও ক্লাব কর্তারা।কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেন, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। ক্লাবের পাশাপাশি মহিলারাও অদ্যোগ নিয়ে পুজোর আয়োজন করেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ক্লাবগুলিকে এক লক্ষ দশ হাজার টাকা সরকারি অনুদান প্রদান করা হবে। ইংরেজবাজার শহরে ১৯০ টি ক্লাব কর্তার হাতে তুলে দেওয়া হয় সরকারি অনুদান।

কালিয়াচকে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ২ ও আহত ৪

কালিয়াচকে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ২ ও আহত ৪ মালদা: মালদা দিক থেকে কালিয়াচকগামী রুটে জালালপুর ডাঙ্গা পেরিয়ে ঘটল এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দ্রুতগতিতে আসা একটি মারুতি গাড়ি পিছন থেকে ধাক্কা মারে একটি টোটোকে। ন্যাশনাল হাইওয়েতে টোটোর বাড়াবাড়ি প্রায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যদিও আইনত জাতীয় সড়কে টোটো চলাচল নিষিদ্ধ, তবুও দিন দিন বাড়ছে টোটোর দাপট। দুর্ঘটনার সময় টোটোতে ছিলেন চালকসহ তিনজন যাত্রী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দু’জনের। নিহতরা সুজাপুরের ব্রোমোত্তর ও বামুনগ্রামের বাসিন্দা। গুরুতর জখম হন আরও দুই যাত্রী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা সকলেই সুজাপুর এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে, মারুতি গাড়ির ভেতরে থাকা ব্যক্তিরাও আহত হন। তাঁদের কাছ থেকে নেশাজাত দ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর ফলেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার খবর পেয়ে কালিয়াচক থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

মালদা

অনুসন্ধান


রাজনীতি

নির্বাচন প্রচার শুরু তৃণমুলের তরুণ প্রার্থী সামিম আহমেদ,বরোধী দল থেকে শতাধিক কর্মী শাসক দল যোগদান

*মন্দির ও মসজিদ পরিদর্শন করে নির্বাচন প্রচার শুরু তৃণমুলের তরুণ প্রার্থী সামিম আহমেদ,বরোধী দল থেকে শতাধিক কর্মী শাসক দল যোগদান,উস্থি অঞ্চলে প্রচার অভিযান জোরদার করতে ও সমর্থন চাইতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছালেন* *বাইজিদ মন্ডল দক্ষিন চব্বিশ পরগনা:-* আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, তৃণমূল কংগ্রেস তরুণ প্রার্থী সামিম আহমেদ তাঁর প্রচার অভিযান আরও জোরদার করেছেন। তিনি মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার উস্থি অঞ্চলে সরাসরি জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে ব্যাপক হারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালান। এদিন রাধা গোবিন্দ মন্দির ও উস্থি হাট মসজিদ পরিদর্শন করে তার বিধানসভা নির্বাচন প্রচার শুরু করলেন। প্রচার অভিযানের সময় সামিম আহমেদ বিভিন্ন পাড়ায় গিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে দেখা করেন। উস্থি রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন করে শুরু করে মসজিদ পরিদর্শন করে ঘোলার মোড় হয়ে সারা উস্থি অঞ্চল পরিদর্শন করেন। প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন,দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ মুজিবর রহমান মোল্লা,মগরাহাট পশ্চিম ব্লক তৃনমূলের যুব সভাপতি ইমরান হাসান মোল্লা,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সব্যসাচী গায়েন,পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তৌসিফ আহমেদ সহ ব্লক ও অঞ্চলের সকল নেতৃত্ব বৃন্দ প্রমুখ। পাশাপাশি তৃনমূলের প্রার্থী সামিম আহমেদ এর হাত ধরে বিজেপি,সিপিআইএম,ও কংগ্রেস থেকে প্রায় শতাধিক কর্মী সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। তিনি বয়োজ্যেষ্ঠদের আশীর্বাদ নেন, যুবকদের সঙ্গে কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন এবং মহিলাদের সঙ্গে সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে কথা বলেন। তিনি মানুষের সমস্যাগুলি গুরুত্ব সহকারে শোনেন এবং আশ্বাস দেন যে তাঁর জয়ের পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশেষ করে পানিও জল ও রাস্তার সমস্যা সেগুলির সমাধান করা হবে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কাজের কথা তুলে ধরে সামিম আহমেদ বলেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস সর্বদা সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করেছে এবং উন্নয়নের এই গতি বজায় রাখবে।

২১ শে জুলাই এর সমর্থনে প্রস্তুতি সভার আয়োজন করল মালদা জেলাতৃণমূল মহিলা কংগ্রেস কমিটি মালদা টাউন হলে।

মালদা : ২১ শে জুলাই এর সমর্থনে প্রস্তুতি সভার আয়োজন করল মালদা জেলাতৃণমূল মহিলা কংগ্রেস কমিটি মালদা টাউন হলে। প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান চৈতালি ঘোষ সরকার,মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ, বিধায়িকা চন্দনা সরকার, মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রতিভা সিংহ, দুই পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী ও কার্তিক ঘোষ, মালদা জেলার তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস ,পৌরসভার কাউন্সিলর কাকলি চৌধুরী, পূজা দাস সহ মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা। আগামী একুশে জুলাই কলকাতার ধর্মতলায় শহীদদের সম্মান জানাতে সভার ডাক দেওয়া হয় তৃণমূলের পক্ষ থেকে। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি মালদা জেলা থেকেও যাতে একুশে জুলাই এর সভায় কর্মী সমর্থকরা রেকর্ড সংখ্যক ভিড় জমান, তারই প্রস্তুতি হিসেবে সভার আয়োজন করা হয় ।মহিলা তৃণমূল নেতৃত্বদের আশা সমস্ত রেকর্ড ভেঙে উপচে পড়বে ভিড় কলকাতার ধর্মতলায়। আগামী দিনে কিভাবে দলীয় কর্মী সমর্থকরা কাজ করবেন সেই বার্তা দিবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মালদার সুজাপুর বিধানসভা এলাকায় শক্তিবৃদ্ধি করল আসাউদ্দিন ওয়েশির দল অল ইন্ডিয়া মজলিশ-এ ইত্তেহাদুল মুসলেমিন অর্থাৎ AIMIM পার্টি।

মালদার সুজাপুর বিধানসভা এলাকায় শক্তিবৃদ্ধি করল আসাউদ্দিন ওয়েশির দল অল ইন্ডিয়া মজলিশ-এ ইত্তেহাদুল মুসলেমিন অর্থাৎ AIMIM পার্টি। কালিয়াচক-১ ব্লকের অন্তর্গত সিলামপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাঁকসুটোলা ও দাল্লুগ্রাম তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস ছেড়ে AIMIM যোগদান করলেন প্রায় ১০০ জোন। এই উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অল ইন্ডিয়া মজলিশ-এ ইত্তেহাদুল মুসলেমিন দলের পক্ষ থেকে এক যোগদান কর্মসূচি ও কর্মীসভা আয়োজন করা হয় কালিয়াচক-১ ব্লকের অন্তর্গত সিলামপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাঁকসুটোলা ও দাল্লুগ্রামে । সেখানেই প্রথমে যোগদান কর্মসূচি করা হয়। পরে কর্মীসভা করে উপস্থিত নেতৃত্ব দলীয় কর্মীদের উজ্জীবিত করেন। এদিনের এই কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন অল ইন্ডিয়া মজলিশ-এ ইত্তেহাদুল মুসলেমিন দলের, দক্ষিণ মালদা জেলা সভাপতি রেজাউল করিম। ও কালিয়াচক ওয়ান ব্লক সভাপতি মোহাম্মাদ আবুল কাশিম সহ অন্যান্যরা।

তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে বিজেপি নেতাদের ঢেঁড়স, পচা আলু বলে কটাক্ষ।

সেখ ইফতেখার আলী,মালদা: - মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রতিটি জেলার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী তজমূল হোসেন ব্যবস্থাপনাই হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার অন্তর্গত কিরণবালা বালিকা বিদ্যাশ্রমে তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়। প্রতিষ্ঠা দিবসের শুরুতে দলের পতাকা উত্তোলন এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্বর্ধনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এছাড়াও দলের প্রতিষ্ঠা দিন উপলক্ষে প্রায় ১০ হাজার মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ এবং কুড়ি হাজার মানুষের জন্য নতুন বছরের মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করেন মন্ত্রী তজমূল হোসেন। এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী, জেলা পরিষদের সদস্য বুলবুল খান, হরিশ্চন্দ্রপুর 1(A) ও ২ নং ব্লকের সভাপতি জিয়াউর রহমান এবং তাবারক হোসেন, হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নং ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেজিয়া সুলতানা, হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নং ব্লকের বিরোধী দলনেতা মক্রম আলী, মালদা জেলার সাধারণ সম্পাদক জম্মু রহমান ও মোশারফ হোসেন এবং এলাকার তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকেরা। এদিন হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভা থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে কটাক্ষ করলেন মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আব্দুল রহিম বক্সী।আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা সভাপতি করা ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপি দুই নেতার বিরুদ্ধে। তিনি জানান পশ্চিমবঙ্গের দুইজন ব্যক্তি একজন শুভেন্দু অধিকারী ও অন্যজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার,এই দুই ব্যক্তি অসংবিধানিক মানুষ ,ঢেঁড়স ও পচা আলু মতো। পাশাপাশি তিনি জানান এই সমস্ত পচা মানুষগুলো দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে সমাজে এবং সমাজের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে। এইসব মানুষদেরকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে হবে। মন্ত্রী তজিমুল হোসেন জানান প্রতিবছরের নেই এ বছরও পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবস আয়োজন করে থাকি এবং এলাকার প্রায় দশ হাজার দুস্থ অসহায় মানুষদেরকে কম্বল বিতরণ করা হয়।


শিলিগুড়ি

নাসির আহমেদ মহাশয় কে তার সামাজিক কর্মকান্ডের জন্য সংবর্ধনা দেওয়া হল।

Siliguri Journalist Club এর ২৯ তম Annual General Meeting এ Prof. (King) Nasir Ahmed মহাশয় কে তার সামাজিক কর্মকান্ডের জন্য সংবর্ধনা দেওয়া হল। আজকের এই অনুষ্ঠানে প্রধান ও একমাত্র অতিথি হিসেবে Prof Nasir Ahmed উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ি কাওয়াখালী স্থিত সংগঠনের অফিসে। তার হাতে স্মারক প্রদান করেন সংগঠনের Secretary Anshuman Kar, President Irfan Azam ও অন্যান্য সদস্যরা। প্রায় কয়েকশ সাংবাদিক, চিত্র সাংবাদিক এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। Prof. Ahmed তার সংক্ষিপ্ত ভাষণে সাংবাদিকদের নৈতিকতা, পেশাদারিত্ব, সততা, বস্তুনিষ্ঠতা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা বজায় রাখার আবেদন জানান। তিনি সাংবাদিকদের নির্ভিক হওয়ার আবেদন জানান এবং এই প্রসঙ্গে জেমস অগাস্টাস সিকি এর বলিষ্ঠ সাংবাদিকতার উল্লেখ করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন প্রথম ভারতীয় সাংবাদিক রামানন্দ চ্যাটার্জী এবং Yellow Journalism এর প্রবর্তক পুলিৎজার এর কথা। তিনি উত্তরবঙ্গের আম শিল্প, জলপাইগুড়ির সবজি, দার্জিলিংয়ের চা, উত্তরবঙ্গের ট্যুরিজম এবং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট এর উপর গবেষণা ও খবর পরিবেশন এর উপর জোর দিতে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন। তিনি fake নিউজ এবং biased নিউজ থেকে বিরত থাকার আবেদন জানান। তিনি একজন অসুস্থ সাংবাদিককে অর্থ সাহায্য ও দেন।

জলপাইগুড়ি জেলার সদর ব্লকের গড়ালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা আহাজাদ আলী গত ৮ বছর আগে গড়াল বাড়ির সভার হাট থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়।

জলপাইগুড়ি জেলার সদর ব্লকের গড়ালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা আহাজাদ আলী গত ৮ বছর আগে গড়াল বাড়ির সভার হাট থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। আহজাদ আলীর বাড়ির লোকজন থানায় লিখিত অভিযোগ জানান। কিন্তু ৮ বছর কেটে গেলেও পাওয়া গেল না আহজাদ আলীকে। আহজাদ আলীর পরিবারে রয়েছেন তিন সন্তান, স্ত্রী এবং তার মা। দীর্ঘ আট বছর ধরেই পথ চেয়ে বসে আছেন আহজাদ আলীর মা। তার মায়ের একটাই আশা শেষবারের মতো তার সন্তানকে দেখে যাতে মৃত্যু হয় এটাই তিনি আশা করেন। আজ সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আহজাদ আলীর মা কাতর আর্জি জানান যাতে তার ছেলেকে খবরের মাধ্যমে পাওয়া যায়। বাড়ির পরিবারের লোকজন সবাই পথ চেয়ে বসে আছে সেই আহজাদ আলীর জন্য। যদি কোন সহৃদয় ব্যক্তি এই খবরটি দেখে এই আহজাদ আলীকে চিনতে পারেন তাহলে তাকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

জীবন যুদ্ধের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন হাসিমুখে! কুর্নিশ জানাতেই হয় আপনাকে

শিলিগুড়ি শীতকালের একটি আলাদা বিশেষত্ব রয়েছে। শীতের সময় পিঠে পাটিসাপটা মালপোয়া জিভে জল আনা এই খাবারগুলো সত্যিই একেবারে অনবদ্য। এই খাবারগুলো খেতে কে না ভালোবাসে, শীত এলেই যেন খাদ্য রসিকদের আনন্দ আরো বেড়ে যায়। বিমলা সরকার হায়দার পাড়া বাজারের সংলগ্ন এলাকায় শীতের শুরু থেকেই এই সমস্ত লোভনীয় খাবার গুলি বিক্রি করছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন শীতের শুরু থেকেই তিনি পিঠা মালপোয়া ভাপা পিঠে বিক্রি করছেন। রাস্তার পাশে বসেই , গরম গরম বানাচ্ছেন এবং বিক্রি করছেন। অর্থের অভাবে দোকান ভাড়া নিতে পারেননি তবে , তবে হাল ছেড়ে দেননি তিনি রাস্তার পাশে বসেই উনুনের মধ্যে গরম গরম ভাপা পিঠে মালপোয়া পাটিসাপটা বানিয়ে বিক্রি করছেন। বাড়ি জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান তার বাড়ি একটিআশালে। তিনি আরো জানান ভালই বিক্রি হচ্ছে শীতের শুরু থেকেই তিনি এই খাবারগুলো বিক্রি করছেন। বাড়িতে রয়েছে স্বামী ও এক সন্তান। বাড়ির সংসার চালানোর দায় নিজের উপর নিয়ে জীবন যুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন। প্রতিদিনের লড়াই প্রতিনিয়ত লড়াই। তবে লড়াই করতে করতে তিনি মোটেও ক্লান্ত হয়ে যাননি হাসিমুখে চালিয়ে যাচ্ছেন জীবন যুদ্ধের লড়াই। কুর্নিশ জানাতেই হয় বিমলা দেবী কে পুরো নাম বিমলা সরকার।

ভালোবাসা দিবসে গোলাপের চাহিদা বাড়ছে

ভালোবাসা দিবসে গোলাপের চাহিদা বাড়ছে শিলিগুড়ি : ভালোবাসা হয়ে উঠুক চিরন্তন শাশ্বত! প্রতিটি সম্পর্কের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধন সুদৃঢ় হোক। আজ ভালোবাসা দিবস valentines day নিজের মনের মানুষকে ভালোবাসা জানানোর দিন। ভালোবাসা দিবসের স্বাভাবিকভাবে সবথেকে বেশি চাহিদা থাকে গোলাপের। এদিন দেখা গেল সকাল থেকেই বিভিন্ন দোকানগুলিতে রয়েছে গোলাপের বাহার। লাল সাদা গোলাপি বিভিন্ন রঙের গোলাপ ফুল রয়েছে। এই প্রসঙ্গে একজন ফুল বিক্রেতা জানিয়েছেন ভালই বিক্রি হচ্ছে আজ valentines day প্রত্যেক বছরের মত এ বছরও চাহিদা রয়েছে গোলাপ ফুলের। ভালোই বিক্রি হচ্ছে , আশা রাখছেন প্রতিবছরের মতো এ বছরও ভালই বিক্রি হবে গোলাপ ফুলের। কলকাতার গোলাপ ফুলের দাম রয়েছে কুড়ি টাকা এবং ব্যাঙ্গালোরের গোলাপ ফুলের দাম রয়েছে 40 টাকা প্রতি পিস।

বীরভূম




Follow us on                  

About Us
Kaliachak Sangbad, a pioneering digital platform, is revolutionizing the way citizens access news, information, and services.
Contact Us
Address : Kaliachak, Malda
Call : +91 7001942597
WhatsApp : +91 9749218411
Email : kaliachaksangbad@gmail.com

Total Visitor : 127878