Friday 22 May



Breaking



সর্বশেষ






পশ্চিমবঙ্গ

গো সংরক্ষণ বিষয়ে শুভেন্দু সরকারকে সার্বিক সমর্থন হিন্দুমহাসভার, মুসলমানদের দেওয়া হলো গোহত্যা থেকে বিরত থাকার বার্তা

গো সংরক্ষণ বিষয়ে শুভেন্দু সরকারকে সার্বিক সমর্থন হিন্দুমহাসভার, মুসলমানদের দেওয়া হলো গোহত্যা থেকে বিরত থাকার বার্তা গোসম্পদ সংরক্ষণ বিষয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও তার সরকারের নেওয়া কর্মসূচিকে সার্বিক সমর্থন জানালো ভারতের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যশালী প্রতিষ্ঠান অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা । রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর নেতৃত্বে আজ প্রায় পঁচিশ জন সদস্যের একটি প্রতিনিধি মন্ডল পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে রাজ্যপাল আর.এন.রবি. ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর চিফ সেক্রেটারির কাছে ডেপুটেশন জমা দিল । এরপর হিন্দু মহাসভার রাজ্য কমিটির সদস্যরা কলকাতার বিখ্যাত নাখোদা মসজিদে গিয়ে প্রধান ইমাম মাওলানা মহম্মদ সাফিক কাসমির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই মওলানা সাফিক কাসমি মুসলমান সম্রদায়ের মানুষদের কাছে গোহত্যা বন্ধ করা এবং গোমাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে আবেদন করেছেন । এই প্রসঙ্গে হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর বক্তব্য স্বাধীনতার অনেক আগে থেকেই হিন্দু মহাসভা গোহত্যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা এবং গোমাতাকে জাতীয় প্রাণী ঘোষণা করার জন্য আন্দোলন করে আসছে । হিন্দু মহাসভার সেই ঐতিহাসিক আন্দোলনের ফলেই ১৯৫০ সালে গোসংরক্ষণ বিষয়ে সরকারি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে । কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সনাতনী জাতীয়তাবাদী বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে পর্যন্ত যতগুলো সরকার এসেছে তারা প্রকৃত অর্থে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে মুসলিম মৌলবাদকে তোষণ করে এসেছে এবং হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগকে আঘাত করেছে । কিন্তু আজ ভারতের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির নেতৃত্বে বাংলার জনগণের কর্মনিষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় যেভাবে গোমাতাকে সংরক্ষণের জন্য সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছেন তাকে আমরা সর্বান্তকরণে সমর্থন করছি এবং বুকের শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি । কারণ আমরা বিশ্বাস করি দেশে চিরস্থায়ী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে চাইলে দেশে অবিলম্বে গোহত্যা বন্ধ করে গোসম্পদকে জাতীয় প্রাণীর সম্মান দেওয়া উচিৎ এবং গো হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিৎ । আমরা বিস্মিত সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলছে গরু কুরবানি করতে দিতেই হবে কারণ এটা তাদের ধর্মীয় অধিকার । কিন্তু আসলে কোরআন বা হাদিসে কথাও গোহত্যার কথা বলা নেই । হিন্দুদের দেবাদিদেব মহাদেব বা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সাথে গোমাতা পূজিত হন বলেই একটি অংশের মৌলবাদী মুসলমানরা হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার উদ্যেশ্যে গোহত্যা করে । গোমাংস খাওয়ার সাথে শুয়োরের মাংসের তুলনা কখনোই করা যায়না কারণ হিন্দুরা গোমাংস খায়না গরুকে মায়ের মত শ্রদ্ধা করে বলে । কিন্তু শুয়োরকে মুসলমানরা ঘৃণা করে বলে খায়না । ভারতে গোহত্যা করা বা গোমাংস খাওয়া মানে সরাসরি আমাদের সনাতনীদের ধর্মীয় আবেগকে চ্যালেঞ্জ করা । আমরা বলব হুমায়ুন কবীর প্রয়োজনে বাবার নাম এফিডেফিট করে বাবর রাখুক এবং তারপর ভারত ছেড়ে বাবরের দেশে চলে যাক । প্রয়োজনে আমরা তাকে ভিসা পাসপোর্ট করিয়ে দেব । হুমায়ুনের মত গদ্দারদের জন্যই দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয় । অথচ আমরা খুশি নাখোদা মসজিদের ইমাম মাওলানা সফিক কাসমি সাহেব গোহত্যা বন্ধের আন্দোলনে সার্বিকভাবে হিন্দু মহাসভার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন । আমরা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে পথসভা করে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের কাছে আবেদন করব গোহত্যা করা থেকে এবং গোমাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে । এতেই সবার মঙ্গল হবে এবং দেশে সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকবে । আজ মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল ও নাখোদা মসজিদের ইমামকে ডেপুটেশন দেওয়ার কর্মসূচিতে রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামী ছাড়াও অনামিকা মন্ডল, অন্তরা মিত্র, প্রিয়ব্রত ভট্টাচার্য্য, পরিমল মজুমদার, মিন্টু ঘোষ, শৈলেন্দ্র সিংহ সহ একাধিক রাজ্য নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন ।

নদীতে স্নান করতে নেমে নিখোঁজ দুই নাবালক, চাঞ্চল্য পুরাতন মালদায়

পুরাতন মালদা:- মহানন্দা নদীতে স্নান করতে নেমে হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে গেল দুই নাবালক। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে পুরাতন মালদা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁসহাট এলাকায়। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে একজন অর্পণ সরকার (১০)। তার বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি এলাকায়। সে পুরাতন মালদার বাগানপাড়ার বাসিন্দা তার মামা মহাদেব হালদারের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। অপর নাবালকের নাম বাসুদেব হালদার (৮), তার বাড়ি সংশ্লিষ্ট এলাকাতেই। এদিন দুপুরে কয়েকজন সঙ্গীর সঙ্গে নদীতে স্নান করতে নামে তারা। আচমকাই নদীর জলে তলিয়ে যায় দুই নাবালক। সঙ্গে থাকা অন্যরা চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারকাজে নামেন।ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ দুই নাবালকের খোঁজে জোর তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।এই ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া, আর এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ।

মালদা আইটিআই কলেজে প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিসশিপ মেলা - দক্ষ যুবক-যুবতিদের কর্মসংস্থানে এক নতুন দিশা

মালদা আইটিআই কলেজে প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিসশিপ মেলা - দক্ষ যুবক-যুবতিদের কর্মসংস্থানে এক নতুন দিশা মঙ্গলবার মালদা আইটিআই কলেজে এবং মালদা জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিসশিপ মেলা। মঙ্গলবার প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়, যা উপস্থিত অতিথিদের মাধ্যমে এক শুভ সূচনা পায়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদা আইটিআই কলেজের প্রিন্সিপাল সৌরভ পাল, হবিবপুর আইটিআই কলেজের প্রিন্সিপাল কৌস্তুভ ভট্টাচার্য, আই এম সি এর চেয়ারম্যান সুভাষ হালদার, জিএম ডি আইসি মানবেন্দ্র মন্ডল,সাব ডিভিশন এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ অফিসার উন্মেষ মিত্র,আই এম সি মেম্বার অজয় খান,জেলা হেড এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ অফিসার নিরেট দাস,সহ আরও অনেকে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিস শিপ মেলাই বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের নিয়োগ সংক্রান্ত বুথ স্থাপন করে। কারিগরি–প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত তরুণ-তরুণীদের জন্য এই প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিস শিপ মেলা হয়ে ওঠে এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের প্ল্যাটফর্ম। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি ও প্রশিক্ষণমূলক সুযোগ তৈরিতে এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। কতৃপক্ষের মতে, প্রযুক্তিগত শিক্ষায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুব সমাজকে কর্মক্ষেত্রে যুক্ত করতে এই ধরনের প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টসশিপ মেলা ভবিষ্যতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।

মালদা বিধানসভায় বিজেপির জয় উৎসব, মুচিয়ায় বিজয় মিছিলে উচ্ছ্বাস কর্মী-সমর্থকদের

মালদা বিধানসভায় বিজেপির জয় উৎসব, মুচিয়ায় বিজয় মিছিলে উচ্ছ্বাস কর্মী-সমর্থকদের শনিবার বিকালে পুরাতন মালদার মুচিয়া এলাকায় মালদা বিধানসভার বিজেপির উদ্যোগে এক বিশাল বিজয় মিছিলের আয়োজন করা হয়।শনিবার বিকালে মহামায়া মন্দির থেকে আইহো পর্যন্ত এই বিজয় মিছিলকে ঘিরে উৎসবের আবহ তৈরি হয় গোটা মুচিয়া এলাকাজুড়ে। মিছিলে পা মেলান মালদা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনরায় নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা। তাছাড়াও এই মিছিলে পা মেলান পুরাতন মালদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রুম্পা রাজবংশী, মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান পলিদাস সহ অন্যান্য বিজেপির কর্মকর্তারা।এবারের বিধানসভা নির্বাচনে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়লাভ করেছেন মালদা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক গোপাল চন্দ্র সাহা । সেই জয়ের আনন্দে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। হাতে দলীয় পতাকা, আবির খেলায় এবং স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা মিছিল। মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সমস্ত এলাকা থেকে বিজেপি সমর্থকেরা এই বিজয় মিছিলে যোগ দেন। বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে মুচিয়া এলাকা ছিল চোখে পড়ার মতো ভিড়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, মানুষের সমর্থন ও উন্নয়নের উপর ভর করেই এই বিপুল জয় এসেছে। এদিনের মিছিলে উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো।

মালদা

অনুসন্ধান


রাজনীতি

ফল প্রকাশের আগে রাজনীতির ময়দান ছেড়ে একদিনের জন্য ভক্তির আবহে বিজেপি প্রার্থী জুয়েল মুর্মু।

মালদা: ফল প্রকাশের আগে রাজনীতির ময়দান ছেড়ে একদিনের জন্য ভক্তির আবহে বিজেপি প্রার্থী জুয়েল মুর্মু। রবিবার সকাল থেকেই হবিবপুর বিধানসভা জুড়ে একের পর এক মন্দিরে পুজো দিয়ে আশীর্বাদ চাইলেন তিনি। দিনের শুরু শিবডাঙ্গীর তিলভাণ্ডেশ্বর শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে। এরপর পাকুয়াহাটের আদি শ্যামা কালী মন্দির, কেন্দপুকুর ফলানি কালী মন্দির হয়ে মানিকরা ও বুলবুলচন্ডীর বুড়ি মায়ের মন্দিরে প্রার্থনা করেন তিনি। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই আধ্যাত্মিক পরিক্রমার মধ্য দিয়েই মানুষের সমর্থনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন প্রার্থী। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, এবারের ভোটে সাধারণ মানুষের বিপুল সাড়া পেয়েছেন, তাই ফল নিয়ে তিনি আশাবাদী। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দলের একাধিক নেতা-কর্মীরাও।

মালদা জেলায় বাজার থেকে সবুজের তুলনায় গেরুয়া আবির বেশি বিক্রি হওয়ায় জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলেl

*রাজ্যের দু দফা নির্বাচন ইতিমধ্যেই শান্তিপূর্ণ ভাবে ও নির্বিগ্নে হয়েছে l রাজ্যেএবার পরিবর্তন হবে না প্রত্যাবর্তন তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে চার মে ভোট গণনার দিন l ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দারুন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে l আর এরই মধ্যে মালদা জেলায় বাজার থেকে সবুজের তুলনায় গেরুয়া আবির বেশি বিক্রি হওয়ায় জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলেl আবির নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা l তৃণমূলের দাবি ইতিমধ্যেই আমাদের তৃণমূল কর্মী নেতৃত্বরা সবুজ আবির কিনেই ফেলেছি ফলে বাজারে নেই l বিজেপি এই নিয়ে রাজনীতি করছেl যদিও তৃণমূলকে পাল্টা দিয়েছে বিজেপিও সবাই জানে এবার গোটা রাজ্যে গেরুয়া আবির এর ঝড় উঠবে* l মালদা জেলায় নেতাজি কমার্শিয়াল মার্কেট সেখানে দেখা যাচ্ছে যারা আবির ব্যবসায়ী তাদের দোকানে গেরুয়া আবির বেশি পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে সবুজ আবির তেমন বিক্রি হচ্ছে না l চাহিদা তুলনাই গেরুয়া আবি র সেভাবে পাচ্ছে না l আবির ব্যবসায়ী সমু সেন ,অশোক সাহা , নীতিন সাহা , জানান হোলির সময় আবিরের যে চাহিদা থাকে এইবার ভোটে তার থেকে বেশি গেরুয়া আবিরের চাহিদা বাড়ছে l প্রতিদিন 25 থেকে 30 প্যাকেট আবির গেরুয়া বিক্রি হচ্ছে। সেই তুলনায় সবুজ আবির বিক্রি হচ্ছে না l আবিরের এত চাহিদা যে কলকাতার বাজারেও গেরুয়া আবির আমরা পাচ্ছি না l যার ফলে যতক্ষণ রয়েছে ততক্ষনই গেরুয়া আবির আমরা দিতে পারব তারপর আর না l এবার গেরুয়া আবিরের দামও প্রতি ১০ কেজি প্যাকেটে 40 থেকে 50 টাকা করে বেড়েছে বেশি দাম দিয়েও আবির কিনছেন ক্রেতারা l গেরুয়া আবির এর দাম দেড়শ টাকা প্রতি ১০ কেজির প্যাকেট ছিল কিন্তু চাহিদা যেভাবে বেড়ে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে প্রতি ১০ কেজির প্যাকেটে 40 থেকে 50 টাকা করে দাম বেড়েছে l তবে সবুজ আবিরের দাম বাড়েনি। প্রতিদিনই ক্রেতারা আসছেন গেরুয়া আবির কিনতে এইভাবে চাহিদা বাড়লে গেরুয়া আবির বাজারে আর পাওয়া যাবে না l আর এই আবির কেনাবেচা কে নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা, মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র শুভময় বসু জানান আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের হাই কমান্ড সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি ইতিমধ্যেই দলের কর্মী নেতৃত্বদের নির্দেশ দিয়েছেন যে সবুজ আবির বাজার থেকে সংগ্রহ করে রাখতে সেক্ষেত্রে আমরা আগে থেকেই সবুজ আবির সংগ্রহ করে রেখেছি। এছাড়াও রবীন্দ্রসঙ্গীতের ক্যাসেট ও ডিজে রাখতে বলেছেন l আমরা ইতিমধ্যেই সমস্ত কর্মীরা সরাসরি বাজার থেকে সবুজ আবির কিনেই ফেলেছি সুতরাং যে সমস্ত ব্যবসায়ীরা এই কথা বলছেন আমার মনে হয় তারা বিজেপি সমর্থিত। আজকে গোটা পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিজেপির কোন কর্মী নেই আজকে বিজেপি এই সেনাবাহিনী ,সাজুয়া গাড়ি অবজারভার কে দিয়ে নির্বাচন করছে l বিজেপির পায়ের তলার মাটি নেই। চার মে চতুর্থবারের জন্য মমতা ব্যানার্জি সরকারি আসছেন চার মেয়ে এত আকাশে বাতাসে সবুজ আবির উড়বে গেরুয়া আবির দেখাই যাবে না দক্ষিণ মালদা বিজেপির সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী জানান আজকের তৃণমূল কর্মীদের নেতৃত্বরা আগের থেকে সবুজ আবির কিনে রাখছে। আমরা আমাদের দলের কর্মীদের নেতাদেরকে এ সমস্ত কথা বলি না l কারণ চার মে গোটা রাজ্যেই গেরুয়া ঝড় উঠবেl আকাশে গেরুয়া আবির ছেয়ে যাবে l আজকে তৃণমূলের নেতারাই আমাদেরকে ফোন করছে গেরুয়া আবীর মাখার জন্য l চার তারিখ ভোট গণনার দিন বারোটার পর থেকে দেখবেন একাধিক তৃণমূলের নেতা রা আমাকে ফোন করবে আমাদের দলে ঢোকার জন্য l তৃণমূলের লোকরাই গেরুয়া আবির কিনে ঘরে রাখছেন l

চাঁদা ১৭৯ নম্বর বুথে পুনর্নির্বাচনে প্রতিবন্ধী ভোটার ও তার মা আটক তারই প্রতিবাদে CRPF ও লোকাল পুলিশ এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল এলাকাবাসী

*চাঁদা ১৭৯ নম্বর বুথে পুনর্নির্বাচনে প্রতিবন্ধী ভোটার ও তার মা আটক তারই প্রতিবাদে CRPF ও লোকাল পুলিশ এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল এলাকাবাসী* *বাইজিদ মন্ডল ডায়মন্ড হারবার:-* পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার পুনর্নির্বাচনে ভোট চলাকালীন দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবারে চাঁদা ১৭৯ নম্বর বুথে ভোটার আটকানো ও প্রতিবন্ধী ভোটার ও তার মায়ের হেনস্থা করে থানায় তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা CRPF-এর বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগ,কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথে ভোটারদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে এবং শাসক দলের ভোটারদেরকে হেনস্থা করছে। এই ঘটনার জেরে এলাকায় তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। CRPF-এর কার্যকলাপে প্রতিবাদ জানিয়ে তৃণমূল প্রতিনিধিরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। দ্বিতীয় দফায় পুনর্নির্বাচনে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার সহ মগরাহাট পশ্চিম এলাকায়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার ও অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তোলে ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার মহিলা সভানেত্রী তথা জেলা পরিষদের সদস্যা মমোহিনী বিশ্বাস,ও তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রতীক উর রহমান,তৃনমূলের প্রার্থী পান্নালাল হালদার সহ এলাকার অসংখ্য মহিলারা।এই ধরনের বিক্ষিপ্ত ঘটনায় ভোট প্রক্রিয়া কিছুটা ব্যাহত হলেও, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা দাবি করেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

আক্রান্ত বিজেপি নেতা

মালদা: বৃহস্পতিবার বিকালে বিজেপির মণ্ডল সভাপতির উপরে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বিজেপির মণ্ডল সভাপতি মহানন্দ মণ্ডলের রাস্তা আটকে ইট দিয়ে মারধর করে তৃণমূলের কর্মীরা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের রতুয়ার মহানন্দাটোলার উত্তর বালুপুরে। আক্রান্ত মণ্ডল সভাপতি মহানন্দকে ভর্তি করা হয় মালদহ মেডিক্যাল কলেজে। ঘটনাস্থলে আসেন বিজেপির উত্তর মালদহের সভাপতি খগেন মুর্মু। ভোটের আগে থেকেই মহানন্দকে হুমকি দেওয়া হত বলে অভিযোগ। খগেন বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার কারণে ভোটে সন্ত্রাস করতে পারেনি তৃণমূল। এখন সন্ত্রাস করে আমাদের দলের মণ্ডল সভাপতির উপরে হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশে জানানো হয়েছে।” অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।


শিলিগুড়ি

ইসলামপুরে বিজেপির ঘর ভাঙল তৃণমূল, কাউন্সিলর মানিক দত্তের ঘাসফুলে যোগদান।

বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড়। বিজেপির ঘর ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন ইসলামপুর পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর মানিক দত্ত। রবিবার ইসলামপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে এসে ইসলামপুর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন তিনি।তার সাথে উপস্থিত ছিলেন ওই ওয়ার্ডের দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা। দলে যোগ দেওয়ার পর মানিক দত্ত জানান, পুনরায় ঘরে ফিরতে পেরে তিনি খুবই খুশি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে মানুষের জন্য কাজ করতে চান। অন্যদিকে এই বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী চিত্রজিৎ রায় বলেন, মানিক দত্ত কী কারণে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন তা তিনি জানেন। তবে সেটি তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এতে বিজেপি দলের কোনো ক্ষতি হবে না বলেও দাবি করেন তিনি। নির্বাচনের মুখে এই দলবদলকে ঘিরে ইসলামপুরের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

শিলিগুড়িতে তৃণমূলের পোস্টার ছেঁড়া ঘিরে বিতর্ক, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ

শিলিগুড়ি: তৃণমূল কংগ্রেসের পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়ি ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল মনোনীত প্রার্থী রঞ্জন শীল শর্মার পোস্টার রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা ছিঁড়ে ফেলে। শুধু পোস্টার ছেঁড়াই নয়, পোস্টারগুলিতে রং মাখিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি দলীয় সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিতে পান ও গুটখার পিক ফেলার অভিযোগে ক্ষোভ ছড়িয়েছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। এই প্রসঙ্গে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি অজয় দাস বলেন, “যারা এই কাজ করেছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে এর হিসাব নেওয়া হবে।” তিনি সরাসরি বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে দাবি করেন, ভোটের লড়াইয়ে জিততে না পেরে বিরোধী দল ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে নিউ জলপাইগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে

শিলিগুড়ি,গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে বড়সড় সাফল্য পেল বনদপ্তর।

শিলিগুড়ি,গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে বড়সড় সাফল্য পেল বনদপ্তর। শনিবার গভীর রাতে শিলিগুড়ির মাটিগাড়া মোড় সংলগ্ন এলাকায়, এশিয়ান হাইওয়ে–১০-এ অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে পূর্ণাঙ্গ চিতাবাঘের চামড়াসহ গ্রেপ্তার করা হয়।বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিং ওয়াইল্ডলাইফ ডিভিশনের শুকনা রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার দীপক রসাইলির নেতৃত্বে রাত প্রায় ১০টা ৪৫ মিনিট নাগাদ এই অভিযান চালানো হয়। ধৃত ব্যক্তি শিলিগুড়ির বাসিন্দা। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া বন্যপ্রাণীর চামড়াটি নেপালে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ধৃতকে আজ কার্শিয়াং আদালতে তোলা হবে বলে বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

জাল নথি তৈরি করে হাসপাতালে কাজ, শিলিগুড়িতে সপরিবারে গ্রেফতার বাংলাদেশি নাগরিক

জাল পাসপোর্ট ও আধার কার্ড তৈরি করে দীর্ঘ আট বছর ধরে ভারতে বসবাসের পর অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ল এক বাংলাদেশি পরিবার। গতকাল ফুলবাড়ি সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে স্বামী, স্ত্রী ও তাদের এক সন্তানকে গ্রেফতার করেছে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতদের নাম আজম আলী এবং তার স্ত্রী রিমা আকতার। তাদের সঙ্গে তাদের নাবালিকা মেয়েকেও আটক করে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের মঠেরগঞ্জ এলাকা থেকে চিকিৎসার জন্য বৈধ কাগজ পত্র নিয়ে তারা ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।২০১৯ স্বামী ও স্ত্রী ভিসার মেয়াদ শেষ হয় অন্যদিকে ২০২১সালে মেয়ের ভিসার মেয়াদ শেষ হয় গেলেও তারা সপরিবারে ভারতেই থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন।গত কয়েক বছর ধরে আজম আলী সপরিবারে কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালুরুতে বসবাস করছিলেন। সেখানে নিজের আসল পরিচয় গোপন করে অবৈধ ভাবে জাল আধার কার্ড ও ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করেন। এমনকি এই জাল নথির সাহায্যেই ব্যাঙ্গালুরুর একটি নামী হাসপাতালে কাজও করছিলেন আজম। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ ফুলবাড়ি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালায়। সন্দেহভাজন হিসেবে ওই পরিবারটিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তাদের কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার এবং ভারতীয় নথি জালিয়াতির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ ধৃত তিনজনকে জলপাইগুড়ি আদালতে পেশ করা হয়। জালিয়াতির এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং তারা অন্য কোনো অসাধু উদ্দেশ্যে ভারতে ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে।

বীরভূম




Follow us on                  

About Us
Kaliachak Sangbad, a pioneering digital platform, is revolutionizing the way citizens access news, information, and services.
Contact Us
Address : Kaliachak, Malda
Call : +91 7001942597
WhatsApp : +91 9749218411
Email : kaliachaksangbad@gmail.com

Total Visitor : 137959