
2025-05-08 | মালদা,পশ্চিমবঙ্গ, | Kaliachak Sangbad | Views : 103
নাজমুস সাহাদাত, মালদহ: বুধবার পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ সভাপতি ড. চিরঞ্জিত ভট্টাচার্য বিদ্যাসাগর ভবন থেকে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন। দুর্দান্ত ফল! মালদহের হিউম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন পরিচালিত আল জামিয়া আল ইসলামিয়া মালদহ ক্যাম্পাসের হাসানুর জামান প্রায় ৯২ শতাংশ নম্বর পেয়েছে, অন্যদেরও চমৎকার ফল! জানা যায়, মাত্র দুই বছরে দুর্দান্ত ফলাফল করল হিউম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন পরিচালিত আল জামিয়া আল ইসলামিয়া মালদহ ক্যাম্পাস। এ বছরের উচ্চমাধ্যমিকে প্রায় ৯২ শতাংশ নম্বর পেয়েছে মিশনের ছাত্র হাসানুর জামান। হাসানুর জামান ৪৫৮ নম্বর পেয়েছে, শতাংশের হিসাব অনুযায়ী ৯১.৬ শতাংশ। আরও ছাত্র মেহেদী হাসান ৪৫৬ নম্বর পেয়েছে, শতাংশের হিসাবে ৯১.২ শতাংশ, মাহমুদ আলম ৪৫০ নম্বর পেয়েছে, শতাংশের হিসাবে ৯০ শতাংশ। এই ক্যাম্পাস থেকে মোট ৩১ জন পরীক্ষার্থী এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল। সকলেই কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বিভাগে পাশ করেছে। ২২ জন ছাত্র স্টার মার্ক পেয়েছে। এই অসামান্য রেজাল্ট এর পর খুশি মালদহ জেলা ক্যাম্পাসের পরিচালক মাওলানা আব্দুল ওদুদ। প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জানান, আমরা এই রেজাল্টে অত্যন্ত খুশি। মাত্র দুই বছরেই ছেলেরা এত ভালো রেজাল্ট করবে ভাবতেই পারিনি, আগামীতে রাজ্যে এক থেকে দশের মধ্যে থাকবে ইনশাআল্লাহ। হিউম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন পরিচালিত আল জামিয়া আল ইসলামিয়া মালদহ ক্যাম্পাসের পরিচালক মাওলানা আব্দুল ওদুদু বলেন, আল-জামিয়া আল ইসলামিয়া মালদহ শাখার আলহামদুলিল্লাহ আমাদের প্রথম ফলাফল ভালো হয়েছিল ৮০% শতাংশের উপরে অনেকেই নম্বর পেয়েছিলো। এবছরে খুব ভালো ফল হয়েছে। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে হাসানুজ্জামান সে ৯২% নম্বর পেয়েছে। এছাড়াও মেহেদী হাসান পেয়েছে ৯১% শতাংশ, তৃতীয় হয়েছে মেহেবুব আলাম ৯০% শতাংশ পেয়েছে। এখানে ১৭ জন ৮০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছে এবং ক্যাম্পাস থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল প্রায় ৩১ জন ছাত্র তার মধ্যে ১৭ জন ৮০% শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছে। আমরা ছাত্রদের মনোবল শক্তি বাড়ানোর জন্য তাদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করলাম। আমদের উদ্দেশ্যে মূলত সোশ্যাল সায়েন্স হিউম্যানেটিস এর মধ্যে ইকোনোমিক, পলিটিক্যাল সাইন্স, ইতিহাস, উর্দু, আরবি, বাংলা ও ইংরেজি বিষয়গুলোকে গুরুত্ব সহকারে পড়ানো হয়। সেসব বিষয়গুলোকে নিয়ে যাতে তারা গবেষণা করতে পারে এবং সোসাইটির জন্যে একটা অবদান রাখতে পারে।
