
2024-10-08 | মালদা,পশ্চিমবঙ্গ | Kaliachak Sangbad | Views : 208
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু ঘিরে শোকের ছায়া এলাকায়। সেখ ইফতেখার আলী, হরিশ্চন্দ্রপুর,মালদা : বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু ঘিরে শোকের ছায়া এলাকায়।ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার দৌলত নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের আমাডোল ঘাট এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা যায় ১৪ বছর পূর্বে এসতাব আলীর মেয়ে জ্যাসমিনারা খাতুনের সাথে বিয়ে হয় রফিকুল হকের। পরিবারে রয়েছে দুই মেয়ে এবং এক ছেলে। এদিন জাসমিনারা খাতুন (৩০) নামে সেই গৃহবধূ ঘুমানোর জন্য ফ্যানের তার ইলেকট্রিক বোর্ডে সংযুক্ত করতে গেলে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। সেই সময় গৃহবধূর বড় মেয়ে আয়েশা খাতুন(১২) স্কুলে যাওয়ার জন্য স্নান করতে গিয়েছিল। এদিকে মায়ের সাথে ঘরে থাকা ছোট ছেলে ও মেয়ে মাকে মেঝেতে লুটিয়ে পড়তে দেখে কাঁদতে কাঁদতে বাইরে চলে আসে। কান্না শুনে বড় মেয়ে ছুটে এসে মাকে মেঝেতে দেখতে পেয়ে কাকিমাকে জানাই। তারপর পরিবারের লোকেরা সেই গৃহবধূকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক গৃহবধূকে মৃত বলে ঘোষণা করে। তারপর মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে পাঠায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায় তদন্ত চলছে যদিও বিষয়টি নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি। গৃহবধূ স্বামীর রফিকুল হক জানাই আমার স্ত্রী সুস্থ অবস্থায় বাড়িতে ছিল। সকালে কাজে যাওয়ার জন্য আমাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে খাবার তৈরি করে দিয়েছিল। আমি খাওয়া দাওয়া করে মাখনা তুলার কাজে চন্ডিপুরে চলে আসি। তারপর আনুমানিক নটার সময় খবর পাই আমার স্ত্রী ঘুমানোর জন্য ফ্যান দিতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ঠ হয়ে যায়। নাবালিকা তিন সন্তানকে নিয়ে কি করে সংসার চলবে তা নিয়ে চিন্তিত স্বামী রফিকুল হক সহ তাঁর সমস্ত পরিবার। গৃহবধূর মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।
